,

 



সংবাদ শিরোনাম:
«» মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে ছাত্রলীগ নেতার ভালোবাসার ফুল | টাইমস অব চট্টগ্রাম «» চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের উদ্যোগে বাঁশখালীতে শীতবস্ত্র বিতরণ||টাইমস অব চট্টগ্রাম «» জননেতা সাদেক চৌধুরী ছিলেন উচ্চ চিন্তার রাজনীতিবীদ–এম এ সালাম ||টাইমস অব চট্টগ্রাম «» হযরত ছিদ্দিক-এ আকবর (রদ্বি.) আল কোরআন একাডেমীর ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন «» দিনাজপুরে “উৎসাহ সামাজিক সংগঠন” এর কম্বল বিতরণ | টাইমস অব চট্টগ্রাম «» বাঁশখালী বাণীগ্রামস্হ ‘বন্ধন ক্লাব’ এর কার্যনির্বাহী পরিষদ কমিটি গঠিত | টাইমস অব চট্টগ্রাম «» সুবিধা বঞ্চিত শীতার্ত পরিবারের পাশে বাঁশখালী ব্লাড ব্যাংক | টাইমস অব চট্টগ্রাম «» মহাপুরুষগণ জাতি ও সমাজকল্যাণে কাজ করে গেছেন–এম এ সালাম ||টাইমস অব চট্টগ্রাম «» আসুন সকলে মিলে দুস্থ শীতার্তদের পাশে দাাঁড়াই –এম এ সালাম||টাইমস অব চট্টগ্রাম «» মহানগর গোয়েন্দা (বন্দর) অভিযানে সাত চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার | টাইমস অব চট্টগ্রাম

দুই বাংলার জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন এর জম্মদিন আজ ||টাইমস অব চট্টগ্রাম

এবিএম ইকবাল হায়দারঃ

কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার। তিনি গল্প, উপন্যাস এবং নাটক এই তিন শাখাতেই জনপ্রিয় রচনা উপহার দিয়েছেন। কিশোর বাংলা নামীয় পত্রিকায় শিশুতোষ গল্প লিখে তার সাহিত্যজগতে আত্মপ্রকাশ। ১৯৭৭ খ্রিষ্টাব্দে সাপ্তাহিক বিচিত্রা পত্রিকায় ‘‍সজনী‌’‍ নামে একটি ছোট গল্প লিখে পাঠকের দৃষ্টি আর্কষণ করতে শুরু করেন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০১৯ সালে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।

একুশে পদক (২০১৯), বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, বাচসাস পুরস্কার, চিত্তরঞ্জন দাশ স্বর্ণপদক

কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন ১৯৫৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বিক্রমপুরের মেদিনীমণ্ডল গ্রামে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুরের লৌহজং থানার পয়সা গ্রামে। তার বাবার নাম গিয়াসুদ্দিন খান এবং মার নাম আনোয়ারা বেগম। তিনি ১৯৭২ সালে লৌহজং উপজেলার কাজীর পাগলা হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭৪ সালে তৎকালীন জগন্নাথ কলেজ বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি ১৯৭৯ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকেই স্নাতক (সম্মান) সম্পূর্ণ করেন।

ইমদাদুল হক মিলন লেখক হিসেবে এপার-ওপার দুই বাংলায়ই তুমুল জনপ্রিয়। দুই বাংলায়ই তার ‘নূরজাহান’ উপন্যাসটি ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে তিনি দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক হিসেবে কর্মরত আছেন।

ব্যক্তিজীবনে ইমদাদুল হক মিলন বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক।

তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় ২ শতাধিক। অধিবাস, পরাধীনতা, কালাকাল, বাঁকাজল, নিরন্নের কাল, পরবাস, কালোঘোড়া, মাটি ও মানুষের উপাখ্যান, পর, কেমন আছ সবুজপাতা, জীবনপুর প্রভৃতি তার বিখ্যাত বই।

তাঁর লেখা দেড়শতাধিক নাটকের মধ্যে কোন কাননের ফুল, বারো রকম মানুষ, রূপনগর, যুবরাজ, কোথায় সেজন, আলতা, একজনা, নীলু, তোমাকেই, ছোছা কদম, আঁচল, খুঁজে বেড়াই তারে, কোন গ্রামের মেয়ে, মেয়েটি এখন কোথায় যাবে, বিপুল দর্শকপ্রিয়তা পায়।

পুরস্কার ও স্বীকৃতি সম্পাদনা
১৯৮৬: বিশ্ব জ্যোতিষ সমিতি পুরস্কার।
১৯৮৭: ইকো সাহিত্য পুরস্কার।
১৯৯২: হুমায়ুন কাদির সাহিত্য পুরস্কার।
১৯৯২: বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার।
১৯৯৩: পূরবী পদক।
১৯৯৪: বিজয় পদক।
১৯৯৫: মনু থিয়েটার পদক।
১৯৯৫: যায়যায়দিন পত্রিকা পুরস্কার।
১৯৯৬: ঢাকা যুব ফাউণ্ডেশন পদক।
২০০২: বাচসাস পুরস্কার।
২০০৪: জিয়া শিশু একাডেমী কমল পদক।
এস এম সুলতান পদক
জাপান রাইটার্স অ্যাওয়ার্ড
মাদার তেরেসা পদক
অগ্রণী ব্যাংক শিশু একাডেমী শিশুসাহিত্য পুরস্কার, (২০১৬)
একুশে পদক (২০১৯)
এছাড়াও, কথাসাহিত্যে অনবদ্য অবদান রাখায় ‘চিত্তরঞ্জন দাশ স্বর্ণপদক’ লাভ করেন। এছাড়া ২০০৬ সালে জাপান ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘তাকেশি কায়েকো মেমোরিয়াল এশিয়ান রাইটারস লেকচার সিরিজে’ বাংলাভাষার একমাত্র লেখক হিসেবে তিনি অংশগ্রহণ করেছিলেন। জাপানের চারটি ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে তিনি বাংলাদেশের সাহিত্য এবং তার নিজের লেখা নিয়ে বক্তৃতা করেন। এশিয়ার লেখকদের জন্য এ এক বিরল সম্মান। পেয়েছেন ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার আইআইপিএম-সুরমা চৌধুরী মেমোরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *